রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যাকারী আরাকান আর্মিকে আশ্রয় দিচ্ছে ইউনুস সরকার। এটি শুধু রাজনৈতিক ভুল নয়, বরং ইসলামী মূল্যবোধ ও ঈমানের প্রতি সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।
হাজার হাজার মুসলিম রোহিঙ্গা শিশু, নারী, বৃদ্ধকে হত্যা করেছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী, বৌদ্ধ চরমপন্থী ও কুখ্যাত আরাকান আর্মি। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া গণহত্যা আজও থেমে নেই। মুসলিম পরিচয়ের কারণেই তারা হয়েছে বাস্তুচ্যুত, হয়েছে ধর্ষণ, হত্যার শিকার। তারা আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে, আমাদের মানবিকতা তাদের দিয়েছে বাঁচার অবলম্বন।
কিন্তু আজ সেই ঘাতকদের—আরাকান আর্মিকে আশ্রয় দিচ্ছে ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের ভেতরে তাদের জন্য ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে, সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে রসদ ও নিরাপত্তা। এই সিদ্ধান্ত শুধু রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত নয়, এটি মুসলিম চেতনার উপর সরাসরি আঘাত।
মুসলিম ভ্রাতৃত্ব, ইসলামী মূল্যবোধ—এগুলো কি শুধুই স্লোগান? যারা আমাদের ভাই-বোনদের রক্তে হাত রাঙিয়েছে, যারা আল্লাহর ঘরের লোকদের জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে, তাদের রক্ষা করাকে কি আপনি মানবতা বলবেন?
এই সিদ্ধান্ত শুধু দেশপ্রেম নয়, ঈমানের সাথেও বিশ্বাসঘাতকতা। মুসলিম শাসকের আসনে বসে যদি কেউ মুসলমানদের ঘাতকদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে সে ইসলামের বন্ধু নয়, বরং শত্রুদের মুখোশধারী সহযোগী।
এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং ইসলামী মূল্যবোধ—তিনটিরই উপর একযোগে আঘাত। ইউনুস সরকারের এই ভূমিকায় শুধু রাজনৈতিক বিরোধ নয়, আজ প্রশ্ন উঠেছে—এই সরকার আদৌ মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করে কি না।
