যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে তুরস্ক থেকে অস্ত্র এনে মিয়ানমারের বিদ্রোহী আরাকান আর্মিকে সরবরাহের চক্রান্তে যুক্ত হয়েছেন ড. ইউনূস ও তার সহযোগীরা।
দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশলিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে এখন বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগর ঘিরে ক্রমবর্ধমান শক্তির লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে নোবেলজয়ী ড. ইউনূস। অভিযোগ উঠেছে, মার্কিন ম্যান্ডেটে তিনি তুরস্কের কাছ থেকে অস্ত্র এনে তা মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্সি যুদ্ধের অংশ হিসেবে মার্কিন অর্থায়নে তুরস্কের ড্রোন ও অস্ত্র ইতোমধ্যে পাঠানোর ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে সহযোগিতায় আছেন ড. ইউনূসের বিশ্বস্ত উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম, ড. খলিলুর রহমান, মাহমুদুর রহমান, এবং প্রবাসী প্রচারক পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন ও কনক সারোয়ার।
🎯 ভূ-রাজনীতির গভীরে ইউনূসের ভূমিকা
চীনের কৌশলগত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI) প্রকল্পের অংশ হিসেবে কিয়াউকফিউ বন্দর বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ গড়ার অন্যতম ঘুঁটি ড. ইউনূস। এই বন্দরটি বাস্তবায়িত হলে চীনের বঙ্গোপসাগর প্রভাব বাড়বে এবং মার্কিন প্রভাব হ্রাস পাবে। তাই অঞ্চলটিতে অস্থিরতা তৈরি করে করিডোর স্থাপনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহের রাস্তা খোলার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
🔍 মুখোশ উন্মোচনের তথ্য
- মাহমুদুর রহমান ও মাহফুজ আলম সম্প্রতি তুরস্ক সফর করে সেখানকার সামরিক বাহিনীর সাথে অস্ত্র আমদানি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- বাংলাদেশে পাকিস্তানি কার্গোর মাধ্যমে অস্ত্র আনার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা।
- সামাজিক মাধ্যমে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে প্রবাসী ইউনূসপন্থীরা।
- রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে মানবিক করিডোর তৈরির নামে এই চক্রান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা।
⚔️ সেনাবাহিনীর বিরোধিতা ও সরকার পক্ষের মিথ্যাচার
সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান স্পষ্টত জানিয়ে দিয়েছেন, রাখাইনে করিডোর বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী কোনোভাবে একমত নয়। কিন্তু উপদেষ্টা খলিলুল রহমান বলেন, মতবিরোধ নেই। বাস্তবে এই দুই অবস্থান সাংঘর্ষিক। এই বিভক্তি সৃষ্টি করেই মার্কিন স্বার্থ পূরণে এগোচ্ছে ইউনূস গং।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ড. ইউনূস এখন দক্ষিণ এশিয়ায় সেই একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন যেমন মিয়ানমারে সুচিকে ব্যবহার করা হয়েছিল। সুচির ব্যর্থতার পর এবার তাকে বসানো হয়েছে ক্ষমতার কেন্দ্রে—যতদিন পর্যন্ত না তিনি মার্কিন পরিকল্পনা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারেন। আর যদি ব্যর্থ হন, তার পরিণতিও হতে পারে সুচির মত।
