গাজীপুরে রাজেন্দ্রপুরে এক সেনাসদস্যের রহস্যময় মৃত্যু কি নিছক আত্মহত্যা, না কি রংপুরে NCP কার্যকলাপ দমনে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতিশোধ? ইউনুস ঘনিষ্ঠ সার্জিসদের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত খুঁজছে জাতি।
তারিখ: ১ জুন ২০২৫ | স্থান: রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর;
গতকাল রংপুরে NCP তথা “সার্জিস” গোষ্ঠীর উসকানিমূলক বক্তব্য এবং তৎপরতায় জনজীবনে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছিল। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে জনশৃঙ্খলা রক্ষা করে। তবে, তার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস এলাকায় এক সেনাসদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু আমাদের গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।
সেনা পোশাকে ঝুলন্ত দেহ – আত্মহত্যা না পরিকল্পিত হত্যা?
ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে, এক সেনাসদস্যের মৃতদেহ বাঁশের মাচায় ঝুলন্ত অবস্থায়, তার শরীরে সেনাবাহিনীর পোশাক। আত্মহত্যার মতো কোনও সুস্পষ্ট নোট পাওয়া যায়নি।
তদন্ত শুরু হয়েছে, কিন্তু জনমনে প্রশ্ন জাগছে—এই মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা?

রংপুরে বাধা দেওয়ার প্রতিশোধ?
সামরিক সূত্রে জানা যায়, রংপুরে NCP নেতাদের কার্যকলাপ দমনে সরাসরি ভূমিকা রাখে সেনাবাহিনী। এই ঘটনার পরপরই রাজেন্দ্রপুরে এহেন মৃত্যু সম্ভাব্য প্রতিহিংসামূলক হত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষত ইউনুস ঘনিষ্ঠ মহল ও ‘সার্জিস’ গোষ্ঠীর নেতারা এর পেছনে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী কি আজ টার্গেট?
এই প্রশ্নটা আজ কেবল একজন সেনাসদস্যের মৃত্যুকে ঘিরে নয়—বরং সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা, মনোবল ও অবস্থানের ওপরই এক ভয়ানক আক্রমণের আশঙ্কা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের আভাস দিচ্ছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
কে দায়ী? কে জবাব দেবে?
যদি এটা হত্যা হয়—তাহলে প্রশ্ন উঠে, কারা এই হামলার নির্দেশ দিয়েছে? রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিশোধ যদি হয়ে থাকে, তাহলে সেনাবাহিনী আজও কি সেই নীরব অবস্থানেই থাকবে?
আমরা জানি না সত্যটা ঠিক কী। তবে এটা নিশ্চিত, একজন রাষ্ট্ররক্ষকের রক্ত ঝরেছে, এবং সেই রক্তের দাগ পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
