কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন বাচ্চুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে ইউনুস গং। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার ও কারাগারে নির্যাতনের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক খুন সংঘটিত হয়। বিস্তারিত পড়ুন।
কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন বাচ্চু-কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং এটি ঠাণ্ডা মাথায় করা পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।
সূত্র জানায়, বাচ্চু ভাইকে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু ঘটে। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা ও বাচ্চুর পরিবার অভিযোগ করছেন, ড. ইউনুস ঘনিষ্ঠ একটি চক্র এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত, যারা দেশে রাজনৈতিক প্রতিশোধ ও দমননীতি চালু রাখতে চায়।
🩸 এটি শুধু মৃত্যু নয় – এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিচ্ছবি।
এই ঘটনায় কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলছেন, ইউনুস গং দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের সাহসী কণ্ঠগুলোকে নীরব করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আর বাচ্চু ভাই তার সর্বশেষ শিকার।
- বাচ্চু ভাইকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা।
- আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের দাবি: এটি ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন।
- অভিযোগের আঙুল উঠছে ড. ইউনুস গংয়ের দিকে।
- কুমিল্লায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ।
