শেখ হাসিনার আমলে নিয়োগ পাওয়া ৪৪ জন বিতর্কিত আমলাকে অপসারণে ব্যর্থ সরকার। এন.সি.পি নেতাদের নেতৃত্বে সচিবালয় ঘেরাও করল ছাত্র-জনতা।
বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও শেখ হাসিনার সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ৪৪ জন বিতর্কিত আমলাকে এখনো অপসারণ না করায় উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-এর নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতার জোট ‘এন.সি.পি নেতারা’ আজ (মঙ্গলবার) রাজু ভাস্কর্য থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করেছে।
সংগঠনের অন্যতম নেতা ইসরাফিল ফরাজী জানিয়েছেন, ২০ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৪৪ জন আমলার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং ৩১ মে’র মধ্যে তাদের অপসারণের জন্য সরকারকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। সরকার কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায়, ছাত্র-জনতা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছে।
সচিবালয়ের সামনে পৌঁছে ‘এন.সি.পি নেতারা’র কর্মীরা পুলিশের মুখোমুখি অবস্থানে যায়। যদিও কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ।
জুলাই ঐক্যের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, এ ৪৪ জন আমলা বিগত এক দশকে রাষ্ট্রকে দমনমূলক নীতির দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এরা এখনো সংস্কারের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে সচিবালয়ের ভেতর থেকে বাধা সৃষ্টি করছে।
📌 গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো:
শেখ হাসিনার সময়ে নিয়োগ পাওয়া ৪৪ জন আমলার তালিকা ২০ মে প্রকাশ করে এন.সি.পি নেতারা।
৩১ মে’র মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম দিয়েছিল সংগঠনটি।
সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ১ জুন সচিবালয় অভিমুখে মিছিল করে।
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনের সংস্কারের বিরোধিতায় মাঠে, যা এন.সি.পি মতে ‘জুলাই স্পিরিট’-এর বিরুদ্ধে
