“যে তাজুল রাজাকারের সাথী, তার হাতে নেই ন্যায়বিচারের পাথি” – এই ছন্দে প্রকাশ পাচ্ছে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় রাজাকারের উত্তরসূরিদের সক্রিয়তা ও ছলনা।
বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় বর্তমানে এক গভীর বিশ্বাসহীনতার সঙ্কটে নিপতিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ যখন বিচার চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হয়, তখন তারা পায় আইনের মুখোশধারী রাজনীতিকদের ছলনা।
একসময় যাদের পূর্বপুরুষরা এই জাতির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল, আজ তারাই আইন আর ন্যায়বিচারের মোড়কে বসে আছে বিচারিক আসনে।
এই বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে একটি ছন্দে –
"যে তাজুল রাজাকারের সাথী,
তার হাতে নেই ন্যায়বিচারের পাথি।
আইনের পোশাকে মুখে দেয় বুলি,
বিচারের নামে করে ছলচাতুরী।
আসল পরিচয় যে রাজাকার সাথী।"
এই পংক্তিগুলো কেবল কবিতা নয় – এটি দেশের বিচারব্যবস্থার গভীর এক রাজনৈতিক সংকটের প্রতীক। যারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, আজ তাদের আদর্শিক উত্তরসূরিরা ন্যায়ের আসনে বসে, আর এটাই জাতীয় আত্মপরিচয়ের জন্য এক অশনিসংকেত।
⚖️ জাতি জানতে চায়:
কীভাবে রাজাকারের সাথীরা আজও আদালতের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসে?
ন্যায়ের নামে ছলচাতুরি আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার চলছে কেন?
কোথায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, কোথায় গণতন্ত্র?
