জুলাই ২০২৪ এ সংঘটিত জঙ্গি সহিংসতায় ব্যবহৃত ২০০টি স্নাইপার রাইফেল উদ্ধারে সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করেছে। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় এ পদক্ষেপ দেশবাসীর আশার প্রতীক।
কলাম লেখকঃ জী ইসলাম
২০২৪ সালের জুলাইয়ে সংঘটিত দেশব্যাপী সহিংসতা এবং সশস্ত্র হামলা ছিল একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার লক্ষ্য ছিল পুরো রাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙে ফেলা। এই সহিংসতার পেছনে ব্যবহৃত হয় প্রায় ২০০টি স্নাইপার রাইফেল, যেগুলোর একটি বড় অংশ এখনো রাজধানীতে গোপনে রয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী এই অস্ত্র উদ্ধার ও জঙ্গি ঘাঁটি উচ্ছেদের জন্য মাঠে নামছে।
🔍 বিশ্লেষণ:
১. ভয়াবহ পরিকল্পনার নেপথ্যে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’:
২০২৪ সালের জুলাই মাসে একটি কেন্দ্রীয় ঘোষণার মাধ্যমে জঙ্গিগোষ্ঠী রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল দখলের ছক আঁকে। এ পরিকল্পনায় নিরাপত্তা বাহিনীকে স্নাইপার ও AK-47 রাইফেল দিয়ে দমন করা ছিল অন্যতম টার্গেট।
২. অস্ত্রভাণ্ডারের অবস্থান: বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, নিচের এলাকাগুলোতে এসব অস্ত্র মজুত রয়েছে বা ছিল: > রামপুরা মাদ্রাসা > ভাটারা থানার পাশে একটি মাদ্রাসা > যাত্রাবাড়ি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পল্টন, উত্তরা-এর বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসা > শিবির-নিয়ন্ত্রিত কোচিং সেন্টার > বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আড়ালে গঠিত গোপন ঘাঁটি
৩. সংগঠক ও নেতৃত্বদানকারী:
এই পুরো পরিকল্পনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন অন্তত ছয়জন সংগঠক:
সারজিস আলম, হাসানাত, মাহফুজ, আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ও আখতার।
তাদের সমন্বয়ে রাজধানীতে অস্ত্র মজুত ও হামলার কৌশল তৈরি হয়।
এছাড়াও, উত্তর সিটির কথিত প্রশাসক ‘এজাজ’ এখনো একটি বড় অস্ত্র ভান্ডারের দেখভাল করছে বলে তথ্য মিলেছে।
৪. সেনাবাহিনীর অভিযান ও বিশ্লেষকদের অভিমত:
সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হলে বোঝা যাবে, রাজধানী কতটা ভয়াবহ বিপদের মুখে ছিল। এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র অস্ত্র উদ্ধারের নয়, বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারের এক সাহসী যুদ্ধ।
