ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য বেহনাম সাঈদি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হতে পারে; এই পদক্ষেপ বিশ্ব তেলবাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।
পটভূমি ও ঘোষণার প্রেক্ষাপট
ইরানের সংসদের নিরাপত্তা কমিটির সদস্য বেহনাম সাঈদি জানিয়েছেন, সাবেক মেহর নিউজে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার অপশন বিবেচনা করা হচ্ছে।
পূর্বেও পশ্চিমা চাপ থেকে বিরতি হিসেবে একই হুমকি এসেছে।
🌊 প্রণালীর ভূ–রাজনৈতিক গুরুত্ব
দৈনিক তেলের ১৫–২০ % বৈশ্বিক সরবরাহ এই প্রণালীর মাধ্যমে ঘটে। এর ফলে কোনো বন্ধঘোষণা করলে তেলবাজারে সরবরাহ বিপর্যয় দেখা দেবে ও মূল্য তীব্রভাবে বাড়তে পারে, যা প্রভাব ফেলবে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে।
✈️ সাম্প্রতিক উদ্যোগ ও নিরাপত্তার সংকেত
রয়টার্স জানাচ্ছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইতিমধ্যে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলছে, নিরাপত্তার কারণে প্রণালীর আশপাশে টহল বাড়ানো হচ্ছে।
পাশাপাশি, নেভাল ইলেকট্রনিক বাধার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে—ইনহেরেন্ট ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
📈 বাজার ও রাজনৈতিক প্রভাব
তেল মূল্য ইতোমধ্যে প্রায় ২–১০ % বৃদ্ধি পেয়েছে; বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রণালীর কোনো সত্যিকারের ব্লকেজ ঘটলে মূল্য $100+ পর্যন্ত ঢোকে যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ নেতারা উদ্বিগ্ন: সামরিক হস্তক্ষেপের ভয়াবহতা এবং গ্লোবাল এনার্জি নিরাপত্তা এখন ঝুঁকিতে।
ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি শুধুমাত্র সামরিক প্রতিশোধ নয়—এটি একটি কৌশলগত চাপে বিশ্ব তেলবাজার ও অর্থনীতিকেও প্রভাবে ফেলার প্রস্তুতি। বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজ প্রতিরক্ষামূলকভাবে নিরাপদ পথ বেছে নিচ্ছে, আর তেলের মূল্য ইতিমধ্যে বড় রাশিতে ওঠার ফলে বিশ্ব তথ্যদানের অবস্থা জটিল হয়ে উঠেছে। এখন নিরীক্ষণ প্রয়োজন—ইহা মাত্র হুমকি থাকবে, নাকি বাস্তবে আন্তর্জাতিক এনার্জি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য ঢেউ তুলবে?