সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে গতকাল স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে লাঞ্ছিত করেন। সরকারি কর্মকর্তা থেকে এমপি-মন্ত্রী পর্যন্ত কেউই নিরাপদ নন—ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় কি এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে?
🔍 প্রতিবেদন:
গতকাল (২২ জুন ২০২৫) একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটে যেখানে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা স্বেচ্ছাসেবক দলের একদল নেতা-কর্মীর হাতে প্রকাশ্যে লাঞ্ছনার শিকার হন। ঘটনাটি ঢাকার একটি সরকারি অনুষ্ঠানের বাইরে ঘটে বলে জানা গেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কিছু উগ্র যুবক তাঁকে ঘিরে স্লোগান দেয়, ধাক্কা দেয়, এমনকি গালিগালাজ করে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং দেশের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতির প্রতিফলন।
🎯 প্রশ্ন উঠছে: কে দিচ্ছে এই সহিংসতার লাইসেন্স?
বর্তমান তথাকথিত ‘ইউনুস সরকার’-এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মব ভায়োলেন্সে মদদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি-জামায়াত ও বিদেশি দাতাগোষ্ঠীর সমর্থনে গঠিত এই বিতর্কিত সরকার জননিরাপত্তাকে ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ ক্ষমতাসীন দলের।
সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তা, সচিব, মন্ত্রী-এমপি এমনকি নি:সারকারি কর্মচারীরাও মব ভায়োলেন্সের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন।
🔥 লাঞ্ছিত হলেন কেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
কে এম নুরুল হুদা এক সময় বিএনপি-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত হলেও নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালীন কিছু সময় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর ওপর হামলা এই বার্তা দেয় যে, ইউনুসপন্থী সরকার কেউকেই ছাড় দিচ্ছে না—যারা বর্তমান নীলনকশার সাথে সাযুজ্যপূর্ণ নয়, তারাই শত্রু।
⚠️ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে
নুরুল হুদার উপর হামলা কেবল একজন সাবেক কর্মকর্তার অপমান নয়—এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত। ইউনুস সরকার কি সহিংসতা দিয়ে বিরোধী মত দমন করছে? আজ উত্তর খোঁজার সময়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘নিরপেক্ষতা’র নামে নিষ্ক্রিয়। সরকারপ্রধানের নির্দেশে প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভয় আর সহিংসতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জনগণ উদ্বিগ্ন—কেউই আজ নিরাপদ নয়।
