ফরিদপুর সদর উপজেলায় মাত্র ১০ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এই ঘৃণ্য অপকর্মে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশজুড়ে যেন ধর্ষণের মহোৎসব শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিন অসংখ্য ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনা ঘটে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ফরিদপুর সদর উপজেলায় মাত্র ১০ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল ২৯শে জুন, রোববার দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মামা বাদী হয়ে আজ সোমবার সকালে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী (৪৮) এবং জেলা শহরের আলীপুর প্রামাণিক পাড়া মহল্লার বাসিন্দা মো. জুয়েল (২৪)।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চিপস কেনার টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে ইজিবাইকে করে দূরে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ওমর আলী ও জুয়েলকে হাতেনাতে আটক করে থানায় খবর দেয়।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার হাত থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ওসি আসাদউজ্জামান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ধর্ষণের বিষয়ের সত্যতা মিলছে। দুজনকেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
