ড. ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাড়ছে মব সন্ত্রাস ও মৃত্যু। এ পর্যন্ত নিহত ১১০০+ সাধারণ মানুষ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিকল্পিত সন্ত্রাস। জাতি আজ এক রক্তাক্ত জাহেলিয়া যুগে।
বাংলাদেশ যেন এখন এক মৃত্যু উপত্যকা।
ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত তথাকথিত "অন্তর্বর্তীকালীন সরকার" দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের শহর, বন্দর, গ্রাম ঘিরে তৈরি হয়েছে এক অজানা আতঙ্ক—মব সন্ত্রাস, গণপিটুনি ও গুমের মহামারী।
প্রতিদিনই খবরে আসে নতুন লাশ, নতুন কান্না, আর নতুন ভয়। সরকারি হিসাবে না আসলেও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও নিরাপত্তা সূত্র জানাচ্ছে—এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১১০০ জনেরও বেশি সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন।
এদের মধ্যে রয়েছে সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, গার্মেন্টস কর্মী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, শিশু ও নারী— কেউই রেহাই পায়নি।
📌 এই সহিংসতার পেছনে কারা?
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সহিংসতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি রাষ্ট্রীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মেডিকুলাস পরিকল্পনার ফল।
এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ড. ইউনুস নিজেই।
তার আশেপাশে গড়ে উঠেছে "উপদেষ্টা পরিষদের" নামে একটি নব্য জঙ্গিবাহিনীসদৃশ গোষ্ঠী, যারা অতীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল। ছাত্র রাজনীতির নামে তাদের পুনর্ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে।
🧠 মেডিকুলাস পরিকল্পনা: কে বলছে কী?
ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বলেন—
“এই সহিংসতা হঠাৎ করে নয়। এটি একেবারে মেডিকুলাসলি ডিজাইনড, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে—ভয় দেখিয়ে জনমত নিয়ন্ত্রণ, প্রতিবাদ দমন, আর নাগরিক স্বাধীনতাকে পদদলিত করা। এটি আর রাজনৈতিক প্রশাসন নয়, এটি এক রক্তচোষা স্বৈরতন্ত্র।”
এই জাহেলিয়া যুগ আর কতকাল?
ইতিহাস একদিন জবাব চাইবে।
প্রশ্ন রাখবে—একটি জাতিকে এইভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার দায় কার?
আজ, বাঙালি জাতি "মব সন্ত্রাসের জাহেলিয়া যুগ" অতিক্রম করছে। আর এর নেপথ্যে যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন, তিনি হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
জনগণের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—
“এই বুলেট, এই রক্ত, আর এই কান্না—কবে শেষ হবে?”
