জাতীয় শোক দিবসের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তারিখ শিগগিরই জানানো হবে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২ জানুয়ারি এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত
মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে পরীক্ষা স্থগিত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন,
“জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে শিগগিরই জানানো হবে। এখনো চূড়ান্ত কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।”
সম্ভাব্য তারিখ ৯ জানুয়ারি
যদিও পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন রাকিব বলেন,
“২ জানুয়ারির পরীক্ষার সম্ভাব্য নতুন তারিখ খুব শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করার অনুরোধ করছি।”
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা
পরীক্ষা পেছানোর খবরে বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীরা দ্রুত নতুন তারিখ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। অনেকেই যাতায়াত ও আবাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন বলে জানা গেছে।
দ্রুত বিজ্ঞপ্তির আশ্বাস
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে দ্রুত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি এড়াতে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমে একযোগে তথ্য জানানো হবে।
কী করবেন পরীক্ষার্থীরা
কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ঘোষণার ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছে।
