মোহাম্মদপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিল থেকে ১০ নেতাকর্মী আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
রাজধানীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ১০
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিল থেকে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) সকালে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মী আকস্মিকভাবে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেন এবং ১০ জনকে আটক করেন।
মিছিল ছত্রভঙ্গ করে আটক
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, মিছিলটি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের ধাওয়া দিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং ঢাকা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী রয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের দাবি, অনুমোদনহীন এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি জনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা সংবাদমাধ্যমকে জানান,
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিশেষ করে অনুমোদনবিহীন সমাবেশ, মিছিল বা বিক্ষোভ কর্মসূচির বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের আকস্মিক কর্মসূচি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা
আটক ১০ জনের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হবে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি
