আলোর বিরুদ্ধে অন্ধকারের যুদ্ধ ইউনুস গংয়ের একনায়কতন্ত্র ও জেগে ওঠা আওয়ামী লীগের বিপ্লব
জি. ইসলাম
📅 প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২৫;
বর্তমান বাংলাদেশ এক অদ্ভুত এবং অশুভ রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। গণতন্ত্রের বুলি মুখে আউড়িয়ে, একটি অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন কথিত অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুস। কিন্তু তার এই শাসনব্যবস্থা যে আদতে গণতন্ত্র নয়, তা এখন প্রতিটি সচেতন নাগরিক স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছেন। তিনি আজ পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আয়ুব খানের মতো ক্ষমতা দখল করে দেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে দমন করে একটি কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করতে চাইছেন।
ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন গণতান্ত্রিক সংগঠন কে নিষিদ্ধ করে দেশের মূল রাজনৈতিক চালিকাশক্তিকে নিঃশেষ করার ষড়যন্ত্র চলছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার, গুম, নির্যাতন এবং হয়রানির শিকার করা হচ্ছে। মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা, রাজপথে প্রতিবাদে গুলি, আর পাহাড় থেকে সমতলে দমননীতি চলছে সর্বত্র।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, আওয়ামী লীগকে কখনও দমন করে রাখা যায়নি। ১৯৭১-এ যেভাবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দল একটি জাতির জন্ম দিয়েছিল, আজ তারই সন্তানরা আবার জেগে উঠেছে। এই জাগরণ আর কেবল প্রতিবাদ নয় এবার তারা অলিখিত এক যুদ্ধের ময়দানে অবতীর্ণ হচ্ছে। কোটি কোটি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে প্রস্তুত হচ্ছে ইউনুস গংয়ের অবৈধ সরকারকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে।
এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো এখন শুধু আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নয় এটি সমগ্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির নৈতিক কর্তব্য। কারণ এই সরকার কেবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন করছে না, এটি জাতির ইতিহাস, অর্জন, এবং ভবিষ্যতের দিশা মুছে দিতে চাচ্ছে। এই সরকার বারবার পাকিস্তানি চেতনার পুনরাবৃত্তি করছে, অথচ বাংলাদেশ পাকিস্তান হতে পারে না।
আওয়ামী লীগ জানে, সংগ্রাম একদিনে ফল দেয় না। সময় লেগেছে জেগে উঠতে, কারণ দলটি দায়িত্বশীল, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু এখন দলটি জেগেছে, এবং এই জাগরণ হবে ভয়হীন, ঐক্যবদ্ধ, এবং ইতিহাস-সচেতন। সামনে কঠিন দিন আসছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের শিকড় মাটিতে, আর তাই কোনো একনায়ক তাকে উপড়ে ফেলতে পারবে না।
এই রাজনৈতিক সংগ্রাম হবে জনতার পক্ষে, ইতিহাসের পক্ষে, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকারের পক্ষে। আমরা বিশ্বাস করি, জয় হবে জনগণের, জয় হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের।
