ছবিঃ মুক্তিবার্তা
নিজস্ব প্রতিনিধি
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের মতে,স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। তিনি বলেছেন যে, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের দক্ষতা ও প্রতিযোগী মনোভাব তৈরি করতে হবে। তিনি আজ ঢাকার বিয়াম ফাউন্ডেশন মাল্টিপারপাস হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির (এনটিএফসি) ৮ম সভায় এই কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট সময় সীমা নির্ধারণ করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণ করতে হবে এবং সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
সভায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সচিব সেতু বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব), বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই আই এর প্রশাসক, স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, ইপিবি এর ভাইস চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) সহ কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্টের মূল উদ্দেশ্য বাণিজ্য উদারীকরণের স্বার্থে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কিত বিধি-বিধান ও কর্মপদ্ধতি পর্যালোচনা করে আমদানী ও রপ্তানি পণ্যের প্রসার ও চলাচল ত্বরান্বিত করা। এগ্রিমেন্টের আওতায় গৃহীত কার্যক্রমগুলি তিনটি (এ, বি, সি) ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এ ক্যাটাগরির ২১টি কার্যক্রমের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নোটিফিকেশন ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ডব্লিউটিও’তে প্রেরণ করা হয়েছে। বি ক্যাটাগরির ১৮টি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বি ক্যাটাগরির কার্যক্রমগুলি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং নোটিফিকেশনগুলি ভিন্ন ভিন্ন তারিখে ডব্লিউটিও’তে প্রেরণ করা হয়েছে। সি ক্যাটাগরির ১৫টি কার্যক্রমের বাস্তবায়নের সর্বশেষ সময়সীমা ৩০ জুন ২০৩০ তারিখ। এর মধ্যে ৫টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে এবং নোটিফিকেশনগুলি ডব্লিউটিও’তে প্রেরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১০টি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
