নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের বক্তব্য থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন যে, অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে বিদেশি সংস্থাদের সাথে কাজ চলছে এবং এই ক্ষেত্রে আইনি ও নৈতিক উভয় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি এই পদক্ষেপগুলিকে এমনভাবে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহায়তা চেয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে কেউ অর্থ পাচার না করে।
তিনি আরও বলেছেন যে, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে বড় দুটি ইসলামী ব্যাংক গড়ে তুলতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সমর্থন প্রয়োজন এবং রাজনীতির পাল্টে যাওয়ার সত্ত্বেও এই সংস্কারগুলি চালু থাকতে হবে। তিনি ব্যাংক খাতের সংস্কার চালু রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখতে চাইছেন।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন যে, যেসব ব্যাংকে অনিয়ম হয়েছে, সেখানে পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়াও, ব্যাংক কোম্পানি আইনে পরিবর্তন আনা হচ্ছে এবং স্বতন্ত্র পরিচালকদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক শক্তিশালী করা হচ্ছে এবং ব্যাংক খাতের সমস্যার সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন যে, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে একদম নতুন রূপ দেওয়া হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় বৈশ্বিক পরিসরের উত্তম রীতিনীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেছেন যে, সমস্যাগ্রস্ত বেশির ভাগ ব্যাংক মূলধনের ঘাটতিতে আছে এবং এই সংস্কারগুলিতে রাজনীতিক সমর্থন প্রয়োজন।
গভর্নরের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সমর্থন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহায়তা প্রয়োজন।
