স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে খেলছেন! নেশাগ্রস্ত ও দায়িত্বহীন উপদেষ্টার বক্তব্যে স্পষ্ট—বাংলাদেশ এখন প্রলাপের হাতে বন্দি। এই পরিস্থিতি আর কতদিন সহ্য করবে জনগণ?
📅 প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২৫; ✍️ নিজস্ব প্রতিবেদক
❝হুঁশ না থাকলেই পদ!❞
ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র এখন এই মাতাল ও তালহীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এমন একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত, যিনি যেন প্রতিদিন প্রমাণ করছেন—এই পদ পেতে একমাত্র যোগ্যতাই প্রয়োজন, হুঁশ না থাকা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কর্মকাণ্ড এখন হাস্যরস নয়, জাতীয় বিপদের নাম। তার প্রতিটি বক্তব্যে মিশে থাকে প্রলাপ, তার কথাবার্তায় অনুপস্থিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ, এবং সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়—তিনি দিনভর থাকেন নেশার ঘোরে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব এখন মাতালের হাতে?
সত্যিই কি সম্ভব, একজন বেতাল ব্যক্তি রাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মতো স্পর্শকাতর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন? তিনি প্রায়ই নিজের বক্তব্যের অর্থও জানেন না। কখন কী বলেন, কাকে বলেন, কেন বলেন—তা তার নিজেরও খেয়াল থাকে না।
এমন একজন ব্যক্তির হাতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা তুলে দেওয়া নিছক প্রশাসনিক গাফিলতি নয়—এটি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।
হুমকি, অপমান ও অপদার্থতা
এই মাতাল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সম্প্রতি হুমকি দিয়েছেন—আওয়ামী লীগের মিছিল হলে, পুলিশের ওপর ‘ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে। প্রশ্ন জাগে—কে তিনি এমন ঘোষণা দেওয়ার?
একটি ভোটবিহীন অন্তর্বর্তী সরকারের অস্থায়ী উপদেষ্টা হয়ে কিসের ভিত্তিতে তিনি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করেন? এই ঔদ্ধত্য কে তাকে দিয়েছে?
জনগণের নিরাপত্তা এখন ব্যঙ্গের বস্তু
তার বক্তব্যে নেই কোনো যুক্তি, নেই দায়িত্বের ছাপ, নেই রাষ্ট্র পরিচালনার ন্যূনতম বোধ। তিনি বলছেন, “পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে!” কিন্তু জনগণ জানে, যারা সকাল-বিকেল মদে গড়াগড়ি খান, তাদের ‘ব্যবস্থা’ মানেই প্রলাপ।
গণতন্ত্রের পিঠে ছুরি চালাচ্ছে কারা?
এই অর্বাচীন, দায়িত্বহীন মাতাল উপদেষ্টা এখন সরকারের মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন। যাদের এক সময় রাজনৈতিক পরিচয় দিতে লজ্জা লাগতো, তারা এখন ক্ষমতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্রের পিঠে ছুরি চালাচ্ছেন।
বাংলার মানুষ ভুলে যায়নি, কীভাবে মাতাল শাসকদের ইতিহাস থেকে সরিয়ে দিতে হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
এর শেষ কোথায়?
দেশ মাতালের হাতে নয়, জনগণের হাতে থাকবে।
সময়ের ব্যাপার মাত্র—সুদি ইউনুসের মদঘোর কেটে গেলে, জনগণ বুঝে নেবে কারা প্রকৃত স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার হন্তারক। এই মাতাল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তখন কোথায় পালায়, সেটাই দেখার বিষয়।
পরিশেষে দেখা যাচ্ছেঃ
- তালহীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে।
- হুঁশহীন বক্তব্যে জনগণ ও পুলিশের প্রতি হুমকি।
- রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রলাপের হাতে বন্দি।
- জনগণের প্রতিবাদ এখন সময়ের দাবি।
