ঢাকা, এপ্রিল ২০২৫ — দেশের বিভিন্ন সড়কে এখন নাগরিকদের নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। একের পর এক ছিনতাই, রাস্তায় প্রকাশ্যে ডাকাতি, এবং বাসযাত্রীদের লুটের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। অথচ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যত নীরব।
ফলে, অনেকেই মনে করছেন, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট আইন-শৃঙ্খলা নীতি।
ভিডিও ভাইরাল: ছিনতাইকারীদের হাতে তরুণীর সর্বস্ব হারানোর দৃশ্য
সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—এক তরুণীকে ছুরি ঠেকিয়ে তার গয়নাসহ সমস্ত মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নিচ্ছে একদল ছিনতাইকারী।
এই ঘটনার ভয়াবহতা শুধু একটি ঘটনার প্রতিফলন নয়, বরং এটি বর্তমান পরিস্থিতির এক নির্মম চিত্র।
এই ধরনের অপরাধ প্রতিদিনই ঘটছে—রাস্তায়, বাসে, এমনকি দিনের আলোতেও।
ইউনূস সরকারের ছত্রছায়ায় অপরাধীদের দাপট
তদ্ব্যতীত, গত সাত মাসে শত শত অপরাধীকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সরকার আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে এবং বিচার প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে অপরাধীদের অভয় দিয়েছে—এই অভিযোগও উঠে এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
একদিকে, সাধারণ নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন; অন্যদিকে, অপরাধীরা যেন সরকারি প্রশ্রয়ে দাপট দেখাচ্ছে।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ কি জনগণকে ভুলে গেছে?
অনেকেই অভিযোগ করেছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।
বিশেষ করে, মহাসড়কে বাস লুটের ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
উপসংহার: এখনই কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান অপরাধ পরিস্থিতি দিন দিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের উচিত দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা।
নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে, গণ-অসন্তোষ আরও তীব্র হতে পারে।
