মুন্সিগঞ্জ, এপ্রিল ২০২৫ — মুন্সিগঞ্জে ভয়াবহ এক ছিনতাইচেষ্টার সময় জিয়া যুবদলের এক সক্রিয় কর্মী বাবু মিজিকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ধারালো ছুরি, চারটি হাতবোমা এবং একটি মোবাইল ফোন।
ফলে, প্রশ্ন উঠছে—বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন যুবদলের রাজনীতি কি এখন সন্ত্রাস ও সহিংসতায় পরিণত হয়েছে?
অস্ত্র, বোমা ও ছিনতাই: সংগঠনের নামে ভয় দেখানো?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবু মিজি একটি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করছিলেন। তবে, সাধারণ মানুষের সাহসিকতায় এবং পুলিশি তৎপরতায় তিনি হাতেনাতে ধরা পড়েন।
অভিযানে তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা ও ধারালো অস্ত্র গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এ ঘটনায় অনেকেই বলছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—বরং বিএনপি-সমর্থিত কিছু গোষ্ঠী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে সন্ত্রাস ছড়াতে চাইছে।
বিএনপির সংস্কার নাকি সন্ত্রাসের ছায়ায় টিকে থাকার কৌশল?
তদ্ব্যতীত, প্রশ্ন উঠছে—যে “গণতান্ত্রিক সংস্কার” বিএনপি দাবী করে, সেটি কি কেবল মুখের কথা?
বাস্তবে, দলটির কিছু অংশ কি সন্ত্রাস ও সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার কৌশল নিয়েছে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনায় বিএনপি ও যুবদলের প্রতি জনগণের আস্থা ক্রমেই কমে যাচ্ছে।
জনগণের মধ্যে আতঙ্ক, প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ এখন আতঙ্কে রয়েছেন—রাজনৈতিক কর্মীরা যদি এমন ভয়ঙ্কর অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তাহলে নিরাপত্তা কোথায়?
অনেকে বলছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড রুখতে হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে।
উপসংহার: রাজনীতির নামে সন্ত্রাস বরদাস্ত নয়
সবশেষে, মুন্সিগঞ্জের এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, কিছু রাজনৈতিক সংগঠন এখন জনসেবার বদলে আতঙ্ক ছড়ানোয় ব্যস্ত।
বিএনপি যদি সত্যিকার অর্থে জনগণের দল হতে চায়, তবে তাদের উচিত এই ধরনের সহিংসতামূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়া এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা।
