✍️ জি ইসলাম
বাংলাদেশ আজ এক ভয়ংকর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি। তথাকথিত “মানবিক করিডোর” পরিকল্পনা কেবল একটি দুরভিসন্ধিমূলক প্রকল্প নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত আঘাত। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের এই পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে একটি অবৈধ সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করার গভীর উদ্দেশ্য।
এই করিডোর কার্যকর হলে, বাংলাদেশ পরিণত হতে পারে একটি নতুন ভূরাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রস্থলে। আরাকান বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয়, পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে তোলা এবং সামরিক উত্তেজনা বাড়ানো—এই সবকিছুই দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ধ্বংসের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মানুষের সামনে করণীয় খুব স্পষ্ট—এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে। “মানবিক করিডোর” বাস্তবায়িত হলে শুধু একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে না, বরং পুরো দেশের স্বাধীনতা ও ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।
দেশপ্রেমিক নাগরিক, ছাত্র-যুব সমাজ, এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক শক্তিকে এখন এক কণ্ঠে বলতে হবে—“বাংলাদেশ কোনো করিডোর নয়।” বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র, এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল এখানকার জনগণের।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব এখন জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া। আন্তর্জাতিক চাপ, গোপন সমঝোতা কিংবা মিথ্যা মানবিকতার নামে কোনো বহিরাগত এজেন্ডাকে গ্রহণ করার প্রশ্নই আসে না।
এটি শুধু একটি রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং দেশের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।
