অপারেশন সিঁদূর: নেতৃত্বে মুসলিম নারীমুসলিম নারী অফিসারের নেতৃত্বে জঙ্গি দমন অভিযানে ভারতের সাফল্য।
নিউজ রিপোর্ট:
সম্প্রতি পাকিস্তানের মাটিতে পরিচালিত ভারতীয় সামরিক অভিযান অপারেশন সিঁদূর ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের আলোচনার ঝড়। অনেকেই বলছেন এটি হিন্দু আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ এবং মুসলিমদের উপর আঘাত। কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। কারণ, এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন একজন মুসলিম নারী—ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্ণেল সোফিয়া কুরেশি।
কর্ণেল সোফিয়া কুরেশির নেতৃত্বে ভারতের স্পেশাল অপারেশন ইউনিট সীমান্ত পেরিয়ে ৯টি নির্দিষ্ট স্থানে ২৪টি মিসাইল নিক্ষেপ করে। তার কথায়, “টার্গেটেড স্থাপনা গুলি আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা ছিল। যাতে কোন সাধারণ নাগরিক ও তাদের সম্পদের ক্ষতি না হয়। হামলা হয়েছে শুধুমাত্র জঙ্গি ঘাঁটিতে, সামরিক স্থাপনায় নয়।”
এই অভিযানে নিহত ৭০ জনের প্রত্যেকেই ছিলেন সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং লশকর-ই-তাইয়েবার সক্রিয় সদস্য। এদের মধ্যে ১০ জন ছিল লশকর প্রধানের সরাসরি ঘনিষ্ঠ। এই অপারেশন পরিকল্পনায় কর্ণেল কুরেশির সাথে ছিলেন আরও একজন নারী কর্মকর্তা—তিনিও হিন্দু নন। ফলে ধর্ম নয়, দক্ষতা, দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্ব ছিল এই অভিযানের মূল চালিকা শক্তি।
এই ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি সামরিক সাফল্যের প্রতীক নয়; এটি একটি বড় বার্তাও বটে—নারী, বিশেষ করে মুসলিম নারী, কোনোভাবেই দুর্বল নয়। কর্ণেল কুরেশি প্রমাণ করেছেন, মেয়ে সন্তানকে যথাযথ শিক্ষা ও সুযোগ দিলে, সে হয়ে উঠতে পারে একটি দেশের সম্মান ও গর্বের প্রতীক।
অপরদিকে, কিছু সমাজে এখনো নারীকে শুধু ভোগ্যপণ্য হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়ে গেছে। অথচ কর্ণেল কুরেশির মতো নারীরাই প্রমাণ করছেন, তারা শুধু পরিবার নয়, দেশও পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন।
শেষ কথাঃ
আপনার সিদ্ধান্ত এখন আপনার হাতে। আপনি কি আপনার মেয়েকে একজন সোফিয়া কুরেশির মতো সাহসী, শিক্ষিত ও দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবেন, নাকি তাকে সমাজের শৃঙ্খলে আটকে রেখে নির্ভরশীল করে রাখবেন?
