বিটিএমএর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, চলমান সংকট অব্যাহত থাকলে আগামী এক-দুই মাসেই দেশের ৫০% টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে বিপন্ন হবে রপ্তানি ও লক্ষাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ
বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি খাত—টেক্সটাইল শিল্প—চরম সংকটে পড়েছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এক ভয়াবহ পূর্বাভাস দিয়েছে যে, বিদ্যমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বিটিএমএ বলছে, ডলার সংকট, কাঁচামালের আমদানিতে বিলম্ব, জ্বালানি ঘাটতি, অব্যাহত শ্রম অসন্তোষ এবং সরকারি নীতির অস্থিরতা এই সংকটের পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে।
“সরকার যদি জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ না নেয়, তাহলে শুধু শিল্প নয়, রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ব্যাপক ধাক্কা আসবে,” — বলেন বিটিএমএ সভাপতি।
🧵 সংকটের মূল কারণ:
- ডলার সংকট: এলসি খোলায় বাধা, কাঁচামাল আমদানিতে দেরি।
- বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি: ফ্যাক্টরি পরিচালনায় অনিয়মিত সরবরাহ।
- নীতিনির্ধারণী অনিশ্চয়তা: নীতির ঘনঘন পরিবর্তনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে।
- শ্রমিক অসন্তোষ: বেতন, ছাঁটাই ও নিরাপত্তা ইস্যুতে শ্রমিক আন্দোলন বাড়ছে।
🧭 সামনের চ্যালেঞ্জ:
- ২০ লক্ষ শ্রমিক ঝুঁকিতে রয়েছেন।
- রপ্তানি আয় হ্রাস পেলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ আরও কমে যেতে পারে।
- সামগ্রিক অর্থনীতি মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বে আরও ধাক্কা খাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই শিল্প ধ্বসে গেলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই এখনই সময় শিল্পখাতকে ‘রেসকিউ প্যাকেজ’ দেওয়ার এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার।
