ড. ইউনুসের উদ্যোগে প্রাইভেট কোম্পানির সঙ্গে জাপানে শ্রমিক পাঠানোর চুক্তি হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এর বাস্তবায়ন নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।
ঢাকা, ৩০ মে ২০২৫:
সম্প্রতি জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের দূতাবাসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে, যেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের পরিচিত একটি প্রাইভেট কোম্পানি ‘ওয়াতামি গ্রুপ’ এর সঙ্গে জাপানে শ্রমিক পাঠানো নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। এ চুক্তি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩,০০০ করে মোট ১৫,০০০ জন কর্মী পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
চুক্তির ধরন ও প্রশ্নবিদ্ধতা:
চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে একটি প্রাইভেট লেভেল এমওইউ, যেখানে জাপানি সরকারি কোনো সংস্থা সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। ফলে এই চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, “চুক্তিটি যতটা ‘অগ্রগতি’র প্রচার পেয়েছে, বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে তা সম্ভবত একটি সীমিত পরিসরের প্রাইভেট প্রকল্প মাত্র।”




ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচার:
অন্যদিকে, এই সীমিত চুক্তিকে ঘিরেই কিছু রাজনৈতিক চরিত্রের পক্ষ থেকে ‘জাপানের সাথে এক লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর চুক্তি’ বলে দাবি করা হয়েছে, যেটি যাচাই করে অসমর্থিত ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যখন পরিচিত রাজনৈতিক ভাষ্যকার আসিফ নজরুল এটিকে “ইউনুস ম্যাজিক” আখ্যা দিয়ে প্রচার করেন।
তুলনা: এলএনজি নাটক:
অনেকে এই ঘটনাকে ২০২৩ সালের যুক্তরাষ্ট্রে কথিত এলএনজি চুক্তির সাথে তুলনা করছেন, যেখানে দৃশ্যত বড় আকারের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তব কার্যক্রমে তার বাস্তবায়ন বা কোনো সরকারি দৃষ্টিকোণ পাওয়া যায়নি।
