কালিয়াকৈরে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলা করে ৯৫ বছর বয়সী দাদিকে আহত করল বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা। ইউনুসের অবৈধ শাসনে সাধারণ মানুষ এমনকি বৃদ্ধারাও নিরাপদ নয়।
বিদেশি সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল ইউনুসের শাসনে নিরাপদ নয় ৯৫ বছরের বৃদ্ধাও
বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিশোধ এখন যেন এক দৈনন্দিন বাস্তবতা।
‘রাজনৈতিক সংস্কার’ এর নামে সশস্ত্র প্রতিহিংসার নতুন রূপ নিয়েছে বিএনপি-জামায়াত জোট ও তাদের মদদপুষ্ট তথাকথিত “বৈছা আন্দোলন”।
এর সর্বশেষ শিকার: একজন ৯৫ বছর বয়সী নারী, যিনি ছাত্রলীগ নেতার পরিবারের সদস্য।
ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে।
ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে ঘরবাড়ি ভাংচুর
কালিয়াকৈর পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলামিন মোড়ল এলাকায় ছিলেন না।
সেই সুযোগে তার পৈতৃক ভিটায় হামলা চালায় একদল রাজনৈতিক সন্ত্রাসী, যাদের পরিচয় স্থানীয়রা দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও বৈছা আন্দোলনের কর্মী হিসেবে।
পিটিয়ে ও ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয় ঘর।
তাদের লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট—আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আতঙ্কিত করা এবং শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করা।
ভাঙা ঘরের ভেতর ৯৫ বছর বয়সী দাদিকে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা
এই হামলার সবচেয়ে অমানবিক দিক—ঘরের ভেতর ছিলেন আলামিন মোড়লের ৯৫ বছর বয়সী দাদি, যাকে ভাঙা কাঠের নিচ থেকে উদ্ধার করতে হয়।
একজন অক্ষম বৃদ্ধা নারীকে আঘাত করে, আতঙ্কিত করে যেভাবে ফেলে রাখা হয়েছে, তা শুধু বর্বরতাই নয়—এটি প্রমাণ করে এই জোটের নৈতিক ও রাজনৈতিক দেউলিয়াপনাও।
এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রতিফলন
এই ধরনের হামলার পেছনে রয়েছে একটি দীর্ঘ পরিকল্পিত সহিংস রাজনীতি—যা ইউনুসের অবৈধ, অগণতান্ত্রিক ও বিদেশঘেঁষা শাসনের ছায়ায় বিকশিত হচ্ছে।
ড. ইউনুস এখন যে ছায়া-সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন, তা সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি শক্তির মদদপুষ্ট, যাদের মূল উদ্দেশ্য—বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা।
এই সরকার জবাবদিহিহীন, পুলিশ বা প্রশাসন নিরপেক্ষ নয়, ফলে প্রতিপক্ষের ওপর সহিংসতা চালানো এখন হয়েছে রুটিন বিষয়।
প্রতিহিংসার রাজনীতিতে কারো জীবন নিরাপদ নয়
এখন আর রাজনীতি শুধু পোস্টার, মিছিল, বা বুলেটিনে সীমাবদ্ধ নেই—
এটি এখন বৃদ্ধার জীবনকেও বিপন্ন করে।
ঘর ভাঙার আগে ভাঙা হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধ,
রাজনীতির নামে দমন, নিপীড়ন, ও নির্লজ্জ সহিংসতা।
৯৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা যদি কোনো রাজনৈতিক মতের কারণে ঘরছাড়া হন,
তাহলে এই দেশের আর কী অবশিষ্ট আছে নিরাপত্তার নামে?
এই দেশে যতদিন সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল শাসন টিকে থাকবে,
ততদিন সাধারণ মানুষের জীবন, ঘর, মা, দাদি কেউ নিরাপদ থাকবে না।
