স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই। অথচ প্রতিদিন মব সন্ত্রাস, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন বেড়ে চলছে।
প্রতিবেদন:
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই। অথচ প্রতিদিন মব সন্ত্রাস, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন বেড়ে চলছে। ইউনুস-জাহাঙ্গীর নেতৃত্বেই কি এই সন্ত্রাসী সংস্কৃতি লালিত হচ্ছে?
এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। কেননা দেশের প্রতিদিনের চিত্র ভিন্ন বাস্তবতার জানান দেয়। কোথাও নারীকে পিটিয়ে হত্যা, কোথাও ধর্ষণ, আবার কোথাও শিশুকে পর্যন্ত নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে—সবই জনতার নামে পরিচালিত মব সন্ত্রাসের অংশ।
⚠️ প্রশ্ন উঠছে:
- এই মব সন্ত্রাস কি জঙ্গিবাদের এক নতুন রূপ নয়?
- রাষ্ট্র যখন নীরব বা পৃষ্ঠপোষক, তখন তার দায় কে নেবে?
👤 নেতৃত্বের ভূমিকায় ইউনুস-জাহাঙ্গীর:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম—এই দুইজনের নেতৃত্বে নিরাপত্তাহীনতা এখন রাষ্ট্রীয় কাঠামোরই অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন,
“সরকার মদদ দিচ্ছে এক ধরনের ছদ্ম জঙ্গিবাদ ও মব কালচারকে।”
এতে সাধারণ মানুষের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তা ভেঙে পড়ছে।
🔥 জনতার প্রতিক্রিয়া:
“ইউনুস-জাহাঙ্গীর-রাজ্জাক গণতন্ত্র নিধন করছে”—এমন স্লোগানে আজ ঢাকার রাজপথে প্রতিবাদী মিছিল দেখা গেছে।
✊ নাগরিক আওয়াজ:
“মব কালচার নিপাত যাক!
মানুষের অধিকার মুক্তি পাক!
গণতন্ত্র মুক্তি পাক!”
যখন প্রতিদিন মব তৈরি করে মানুষ হত্যা হয়, তখন জঙ্গিবাদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়া নয় কি?
রাষ্ট্র যখন মব সন্ত্রাসের প্রতি নিরব বা সমর্থনশীল, তখনই সৃষ্টি হয় রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় জঙ্গিবাদ।
