কক্সবাজারের উখিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন মেম্বারকে অপহরণের পর জবাই করে হত্যা করেছে বিএনপি নেতার লাঠিয়াল বাহিনী—এমনটাই বলছে এলাকাবাসী। এটি কি রাজনৈতিক গুপ্তহত্যার নতুন উদাহরণ?
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি জঙ্গি কায়দায় গুপ্ত হত্যার নতুন মাত্রা? কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য কামাল হোসেন মেম্বারকে অপহরণের পর জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গতরাতে অজ্ঞাতনামা একদল সন্ত্রাসী তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং আজ সকালে একটি জলাশয়ে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ ভেসে ওঠে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সাধারণ জনগণ অভিযোগ করেছে, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহামুদ চৌধুরীর লাঠিয়াল বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
একটি সংঘবদ্ধ দল কামাল মেম্বারকে রাজনীতি থেকে সরাতে বহুদিন ধরেই হুমকি দিয়ে আসছিল বলেও জানায় এলাকাবাসী।
কে ছিলেন কামাল মেম্বার?
- সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উখিয়া উপজেলা যুবলীগ
- বর্তমান ইউপি সদস্য (জালিয়াপালং ৯নং ওয়ার্ড)
- উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য
- রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও আওয়ামী লীগপ্রেমী নেতা
- ডজনখানেক রাজনৈতিক ‘মিথ্যা’ মামলার আসামি ছিলেন
বিশ্লেষণ: হত্যার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতা?
এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যক্তিকে হত্যা নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা— আওয়ামী লীগপন্থী নেতা-কর্মীরা আর নিরাপদ নন।
বিরোধীদলের সহিংস লাঠিয়াল সংস্কৃতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এই ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতা এবং প্রশাসনিক গাফিলতির আরেকটি প্রমাণ।
স্থানীয় প্রশাসন এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
