জুলাই-আগস্টে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ‘মব-জঙ্গিবাদ’ পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছে ইউনুস সরকার। উদ্দেশ্য—ভয়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা গড়ে রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
জুলাই-আগস্টে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ‘মব-জঙ্গিবাদ’ পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছে ইউনুস সরকার। ‘মেটিকুলাস প্লান’ বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে ড. ইউনুস সরকার, উদ্দেশ্য— রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একটি জঙ্গি কাঠামো তৈরি! বিশ্বজুড়ে শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষার কথা বলে আলোচিত নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজ বাংলাদেশের বুকে ‘মব ও জঙ্গিবাদ নির্ভর’ এক বিকৃত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, জুলাই ও আগস্টে এই পরিকল্পনার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন ঘটতে পারে—একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সহিংসতা-নির্ভর শাসনের মাধ্যমে।
‘মব’ গোষ্ঠী: ইউনুস সরকারের ক্ষমতার বাহিনী?
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের নানা জায়গায় দেখা গেছে—
- ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় তরুণদের রাতারাতি গ্রেফতার,
- রাজনৈতিক সমালোচনার দায়ে পিটিয়ে হত্যা,
- নারী ও শিশুর প্রতি উগ্র সহিংসতা,
- মাজার ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা।
এইসব ঘটনা যেন একটি ‘মব-ভিত্তিক শাসনের পূর্বাভাস’।
অভিযোগ উঠছে, সরকারপ্রধান ইউনুস নিজেই এসব ঘটনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন, কখনও নীরব সম্মতিতে, কখনও তাঁর উপদেষ্টাদের মাধ্যমে।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদ গঠনের ব্লুপ্রিন্ট?
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ‘মব কালচার’ কেবল ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একটি উগ্র জঙ্গি আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া।
এটি শুধু রাজনৈতিক বিরোধী দমন নয়, বরং জনগণকে ভয়ের রাজনীতির অধীনে নিয়ে আসার একটি ফ্যাসিস্ট উপায়।
বিশ্ব ইতিহাসে “Jakarta Method” নামে পরিচিত একটি রাজনৈতিক নির্মূল কৌশল ব্যবহার করে ইন্দোনেশিয়ায় লাখো নাগরিক হত্যা করা হয়েছিল।
সেই ইতিহাস স্মরণ করে অনেকেই বলছেন, আজ বাংলাদেশেও সেই পন্থা অনুসরণ করে জাতিকে বিভক্ত ও নিঃশেষ করার নীলনকশা আঁকছেন ড. ইউনুস।
