গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আহ্বায়ক আবদুল কাদের অভিযোগ করেন, শিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেকে ছাত্রলীগ প্রমাণ করতে হলে হলে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করতেন এবং নির্দিষ্ট সক্রিয়দের সমর্থনে তদবির করতেন।
গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেকে ছাত্রলীগ প্রমাণ করার দায়ে নির্যাতন ও নিপীড়নের অংশীদার হতেন
তিনি বলেছেন, “হলে থাকার কারণে ছাত্রশিবিরের যে ছেলেগুলো সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগ করত, তারা মূলত
আইডেনটিটি ক্রাইসিস থেকে উত্তরণের জন্য অতি উত্সাহী কর্মকাণ্ডে জড়াত; নিজেকে ছাত্রলীগ প্রমাণ করার দায়ে ভয়ংকর নির্যাতন চালাত”।
বিশেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও নাম
- মাজেদুর রহমান: ২০২৩ সালের ২২ জানুয়ারি রাতভর বিজয় একাত্তর হলে একজন শিক্ষার্থীকে মারধরের নেতৃত্বে ছিলেন।
- তিনি শিবিরের সাথে সম্পর্কিত বলে কাদের উল্লেখ করেন
- মুসাদ্দিক বিল্লাহ: ২০১৭-১৮ শ্রেণির ঢাবি শাখার দপ্তর সম্পাদক, শিবিরের সাথে সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগ পদ অর্জন করেন
- আফজালুন নাঈম, ইলিয়াস হোসাইন, হাসানুল বান্না, রায়হান উদ্দিন: এই চার শিক্ষার্থীকে শিবিরের সাথি থেকে
- ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে উঠে আসার মাধ্যমে পূর্বের নির্যাতন কাণ্ডে যুক্ত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে
কাদের লিখেছেন, শিবির থেকে আসা শিক্ষার্থীরা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এগিয়ে আসার জন্য হয়ে যেয়ে “লীগের কালচার” অনুসরণ করতো।
প্রোগ্রাম, মিছিল–মিটিংয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের জোর করে নিয়ে যেতো।
সাদিক কায়েমের তদবির ইস্যু
শিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি সাদিক কায়েমকে কাদের ফোনে যোগাযোগ করে নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম বাদ দেওয়ার তদবির অভিযোগ করেছেন।
এরপরও, মামলার তালিকার জন্য নির্ঘট হওয়া তালিকা থেকে অনেকে বাদ পড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
