রাজিয়া সুলতানা থেকে শেখ হাসিনা—মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী নারী শাসকদের শাসনকাল, বীরত্ব ও রাজনৈতিক সাফল্যের বিস্তারিত ইতিহাস জানুন এই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে।
ইসলামের ইতিহাসে নারীর ভূমিকা কেবল চারদেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ ছিল না। সপ্তম শতাব্দী থেকে শুরু করে আধুনিক কাল পর্যন্ত বহু মুসলিম নারী রাজ্য পরিচালনায় অভাবনীয় দক্ষতা দেখিয়েছেন। কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কেউ আবার কূটনীতিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। আজকের নিবন্ধে আমরা ইতিহাসখ্যাত সেই ১৭ জন নারী শাসক ও তাদের শাসনকাল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
মধ্যযুগ ও রাজতন্ত্রের প্রভাবশালী নারী শাসকগণ
১. আরওয়া আল-সুলায়হি (ইয়েমেন)
শাসনকাল: ১০৬৭ – ১১৩৮ (৭১ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: তিনি মুসলিম বিশ্বের দীর্ঘতম নারী শাসক। তাকে ‘ইয়েমেনের রানী শেবা’ বলা হতো। তার শাসনকাল ছিল ইয়েমেনের জন্য স্বর্ণযুগ। তিনি ফাতেমীয় খিলাফতের অধীনে থাকলেও কার্যত স্বাধীনভাবে দেশ চালাতেন। তার সময়ে ইয়েমেনে কোনো বড় যুদ্ধ হয়নি, বরং কৃষি, শিক্ষা ও স্থাপত্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে। জুমার খুতবায় খলিফার নামের পাশাপাশি তার নামও পড়া হতো।

২. রাজিয়া সুলতানা (দিল্লি, ভারত)
শাসনকাল: ১২৩৬ – ১২৪০ (৪ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: সুলতান ইলতুতমিশের কন্যা রাজিয়া ছিলেন দিল্লির প্রথম নারী সুলতান। তিনি পর্দা প্রথা ভেঙে পুরুষালি পোশাকে দরবারে বসতেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি নেতৃত্ব দিতেন। তার স্বল্পস্থায়ী শাসনে তিনি প্রশাসনিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কঠোর ছিলেন। তবে তুর্কি আমিরদের ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়।

৩. শাজার আল-দুর (মিশর)
শাসনকাল: ১২৫০ (সরাসরি ৮০ দিন, পরবর্তীতে পর্দার আড়ালে)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: তিনি আইয়ুবীয় রাজবংশের অবসান ঘটিয়ে মামলুক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেন। সপ্তম ক্রুসেডের সময় সুলতান সালিহ আইয়ুবের মৃত্যুর খবর গোপন রেখে তিনি বীরত্বের সাথে মুসলিম বাহিনীকে পরিচালনা করেন এবং রাজা নবম লুইকে পরাজিত করেন। তার নামে মুদ্রা জারি করা হয়েছিল এবং তিনি ‘সুলতানা’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।

৪. সিত্ত আল-মুলক (মিশর)
শাসনকাল: ১০২১ – ১০২৪ (৩ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: ফাতেমীয় খিলাফতের খলিফা আল-হাকিমের অন্তর্ধানের পর তিনি সাম্রাজ্যের হাল ধরেন।
তিনি অত্যন্ত কঠোর প্রশাসক ছিলেন এবং বিশৃঙ্খল সাম্রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনেন। আমলাতন্ত্রের ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল।

৫. সাইয়িদা আল-হুররা (মরক্কো)
শাসনকাল: ১৫১৫ – ১৫৪২ (২৭ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: তিনি ছিলেন তিতুয়ান অঞ্চলের শাসক এবং ইতিহাসের অন্যতম সফল নারী অ্যাডমিরাল।
স্প্যানিশ ও পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে তিনি ভূমধ্যসাগরে এক শক্তিশালী নৌ-প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাকে ‘জলদস্যু রানী’ বলা হলেও তিনি মূলত তার ভূখণ্ডকে বিদেশি আক্রমণ থেকে রক্ষা করেছিলেন।

৬. সুলতানা তাজ উল-আলম (আচেহ, ইন্দোনেশিয়া)
শাসনকাল: ১৬৪১ – ১৬৭৫ (৩৫ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: ইন্দোনেশিয়ার আচেহ সালতানাতের চারজন নারী শাসকের মধ্যে তিনি শ্রেষ্ঠ।
তার সময়ে আচেহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও ধর্মীয় কেন্দ্রে পরিণত হয়। তিনি নারী শিক্ষা ও ইসলামী আইনের প্রসারে ব্যাপক কাজ করেন।

৭. তেরকেন খাতুন (খোয়ারিজমীয় সাম্রাজ্য)
শাসনকাল: ১২০০ – ১২২০ (২০ বছর)
ইতিহাস ও শাসন পদ্ধতি: তিনি সুলতান আলাউদ্দিন মুহাম্মদের মা ছিলেন।
পর্দার আড়ালে থাকলেও বিশাল খোয়ারিজমীয় সাম্রাজ্যের আসল ক্ষমতার চাবিকাঠি ছিল তার হাতে। তার নিজস্ব সেনাবাহিনী ছিল এবং রাজকীয় ফরমান বা ডিক্রিতে তার সিলমোহর থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।

অটোমান সাম্রাজ্যের ‘নারীদের সালতানাত’
অটোমান ইতিহাসে এক সময় নারীরা পর্দার আড়ালে থেকে বিশ্ব শাসন করেছেন, যা ‘Sultanate of Women’ নামে পরিচিত।
৮. হুররাম সুলতান (১৫৩৪–১৫৫৮):
সুলতান সুলেমানের স্ত্রী হিসেবে তিনি অটোমান রাজনীতিতে প্রথম নারীর পদচারণা নিশ্চিত করেন।
তিনি দাতব্য কাজে এবং রাষ্ট্রীয় কূটনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন। যাঁর আসল নাম আলেকজান্দ্রা ও ইউরোপে রোক্সেলানা নামে পরিচিত, ছিলেন অটোমান সুলতান প্রথম সুলাইমানের প্রিয়তম স্ত্রী ও আইনি পত্নী। দাসী থেকে সুলতানের প্রধান সঙ্গিনী (হাসেকি সুলতান) হয়ে তিনি অসামান্য বুদ্ধি ও প্রভাব খাটিয়ে সাম্রাজ্যের রাজনীতিতে ব্যাপক ক্ষমতা অর্জন করেন এবং অটোমান ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী নারী হিসেবে গণ্য হন।
তাকে প্রায়শই উসমানীয় ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং বিতর্কিত নারীদের একজন হিসেবে দেখা হয়।

৯. কোসেম সুলতান (১৬২৩–১৬৫১):
তিনি দুই ছেলের ও নাতির রাজত্বকালে প্রায় ২৮ বছর সাম্রাজ্যের ‘নায়েব’ বা অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনিই ছিলেন অটোমান ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী নারী।
যিনি সুলতান প্রথম আহমেদের স্ত্রী এবং মুরাদ চতুর্থ ও ইব্রাহিমের মা হিসেবে দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী পর্দার আড়ালে ও আনুষ্ঠানিকভাবে সাম্রাজ্য শাসন করেছেন।
দুই দফায় রাজপ্রতিনিধি (Regent) হিসেবে ক্ষমতার শীর্ষে থাকা এই সুলতানা ১৬৫১ সালে নিজ প্রতিদ্বন্দ্বীর হাতে নিহত হন।

১০. তুরহান সুলতান (১৬৫১–১৬৮৩):
কোসেম সুলতানের পর তিনি সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উসমানীয় সুলতান ইব্রাহিমের হাসেকি এবং চতুর্থ মেহমেদের মা, যিনি ১৬৫১ থেকে ১৬৫৬ সাল পর্যন্ত পুত্রের নাবালকত্বে অফিসিয়াল রিজেন্ট বা রাজপ্রতিভূ হিসেবে সাম্রাজ্য শাসন করেন. কোসেম সুলতানের পর ক্ষমতার কেন্দ্রে আসা এই প্রভাবশালী ভালিদে সুলতান স্থাপত্য পৃষ্ঠপোষকতা ও শক্তিশালী শাসনের জন্য পরিচিত।
তিনি উসমানীয় ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী নারী শাসক, যিনি ‘সুলতানেত অফ উইমেন’ বা নারীদের সালতানাত যুগের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

আধুনিক যুগের গণতান্ত্রিক নারী নেতৃবৃন্দ
আধুনিক বিশ্বে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে নারীরা ভোটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন।
১১. বেনজির ভুট্টো (পাকিস্তান)
শাসনকাল: ১৯৮৮–৯০, ১৯৯৩–৯৬ (৫ বছর)
শাসন পদ্ধতি: তিনি আধুনিক বিশ্বের কোনো মুসলিম দেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী।
অক্সফোর্ড শিক্ষিত বেনজির পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আজীবন সংগ্রাম করেছেন।
পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রপরিচালক যিনি 1988 থেকে 1990 এবং আবার 1993 থেকে 1996 সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

১২. বেগম খালেদা জিয়া (বাংলাদেশ)
শাসনকাল: ১৯৯১–৯৬, ২০০১–০৬ (১০ বছর)
শাসন পদ্ধতি: বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও নেত্রী ছিলেন এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের ইতিহাসে স্থান করে নেন।

১৩. শেখ হাসিনা (বাংলাদেশ)
শাসনকাল: ১৯৯৬–২০০১, ২০০৯–২০২৪ (২০ বছর)
শাসন পদ্ধতি: তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম সময়ের নারী সরকার প্রধান।
তার শাসনামলে বাংলাদেশের ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন (যেমন পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল) এবং দারিদ্র্য বিমোচন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।
শেখ হাসিনা একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ যিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এবং আবার ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা এবং ১৯৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি।

১৪. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (ইন্দোনেশিয়া)
শাসনকাল: ২০০১ – ২০০৪ (৩ বছর)
শাসন পদ্ধতি: ইন্দোনেশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সুকর্ণর কন্যা মেঘবতী দেশটির পঞ্চম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি দেশটির অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো মজবুত করতে ভূমিকা রাখেন। ইন্দোনেশিয়ান রাজনীতিবিদ যিনি 2001 থেকে 2004 সাল পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম রাষ্ট্রপতি এবং 1999 থেকে 2001 সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান ওয়াহিদের অধীনে অষ্টম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৫. তানু চিলার (তুরস্ক)
শাসনকাল: ১৯৯৩ – ১৯৯৬ (৩ বছর)
শাসন পদ্ধতি: তুরস্কের একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি কুর্দি বিদ্রোহ দমনে কঠোর ছিলেন এবং তুরস্ককে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাস্টমস ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত করতে কাজ করেন।
একজন তুর্কি একাডেমিক, অর্থনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ যিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ২২ তম তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তিনি এখন পর্যন্ত তুরস্কের প্রথম এবং একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
১৯৯৬ হতে ১৯৯৭ সালের মধ্যে তিনি ট্রু পাথ পার্টি এর নেত্রী হিসাবে তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
অর্থনীতি এর অধ্যাপক হিসাবে, ১৯১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী সুলেমান দেমিরেল দ্বারা অর্থনীতি এর প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
১৯৯২ সালে যখন ডেমিরেল নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসাবে ছিলেন, তখন সিলার ট্রু পাথ পার্টির নেতা নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডেমিরেলের স্থলাভিষিক্ত হন।

১৬. আতিফেতে জাহজাগা (কসোভো)
শাসনকাল: ২০১১ – ২০১৬ (৫ বছর)
শাসন পদ্ধতি: কসোভোর তৃতীয় এবং প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি এবং বলকান অঞ্চলের কনিষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে সফল ছিলেন।
যিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম নির্দলীয় ও সর্বকনিষ্ঠ নারী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পূর্বে পুলিশ বাহিনীর উপ-পরিচালক ছিলেন তিনি।
তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, যুদ্ধকালীন যৌন সহিংসতার শিকারদের অধিকার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন।

১৭. আমিনা অব জারিয়া (নাইজেরিয়া)
শাসনকাল: ১৫৭৬ – ১৬১০ (৩৪ বছর)
ইতিহাস: তিনি ছিলেন পশ্চিম আফ্রিকার জারিয়া (বর্তমান নাইজেরিয়া) অঞ্চলের রানী। তিনি একজন দুর্ধর্ষ যোদ্ধা ছিলেন এবং তার রাজ্যের সীমানা বহুগুণ বৃদ্ধি করেছিলেন।
১৬শ শতাব্দীর নাইজেরিয়ার জাজ্জাউ (বর্তমান জারিয়া) রাজ্যের এক কিংবদন্তি হাউসা যোদ্ধা রানী ও সামরিক কৌশলবিদ।
তিনি তার অসামান্য সাহসিকতা, বিশাল অঞ্চল জয়, বাণিজ্য বিস্তার এবং প্রতিরক্ষামূলক মাটির প্রাচীর (“আমিনার প্রাচীর”) নির্মাণের জন্য পরিচিত, যা তাকে নারী ক্ষমতায়নের প্রতীকে পরিণত করেছে।


উপসংহার
মুসলিম বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নারীরা কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, বরং নিজেদের মেধা, সাহস এবং রণকৌশল দিয়ে সিংহাসন আরোহণ করেছিলেন।
তারা প্রমাণ করেছেন যে, সুযোগ পেলে তারা একটি জাতিকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে সক্ষম।
