বঙ্গভবনের নতুন অভিভাবক ও রাষ্ট্রপতির প্রার্থী মনোনয়নে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের ভার্চুয়াল বৈঠক আজ।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও রাজনৈতিক গতিপথ: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ—রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন এবং দেশের সার্বিক সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক সন্ধ্যায় মুখোমুখি হচ্ছে দেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন দলের চেয়ারম্যান ও সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাষ্ট্রের অভিভাবক নির্বাচনে কোনো প্রকার তাড়াহুড়ো না করে সংবিধান, আইনি বাস্তবতা ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে দলটি। দলের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, আজকের শীর্ষ বৈঠকের মূল এজেন্ডাই হলো দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কাকে দলীয় প্রার্থী করা হবে সে বিষয়ে একটি ঐকমত্যে পৌঁছানো অথবা চেয়ারপারসনের ওপর সর্বসম্মতভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অর্পণের কৌশল নির্ধারণ করা।
১. শীর্ষ বৈঠকের মূল আলোচ্য ও দলীয় কৌশল
গত ২৪ জুলাই দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর শীর্ষপদে এক বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধানের বিধান অনুসরণে জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই রাষ্ট্রীয় প্রশাসন এবং রাজনীতিতে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনা চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগস্ট মাসের মধ্যেই দেশের রাষ্ট্রপতির আসনটিতে স্থায়ী রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দলের নীতিনির্ধারকদের ভাষায়, রাষ্ট্রপতি পদটি কেবল একটি আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক পোস্ট নয়; বরং জাতীয় যেকোনো সংকটকালে এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই পদের দায়িত্ব অপরিসীম।
এক নজরে স্থায়ী কমিটির শীর্ষ এজেন্ডা:
- রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী বাছাই: যোগ্য, সর্বজনগ্রাহ্য ও সাংবিধানিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব নির্বাচন।
- তারেক রহমানের ওপর ক্ষমতা অর্পণ: চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের একক কর্তৃত্ব দলনেতার হাতে রাখা।
- সংসদ ও নির্বাচন কমিশনের সাথে সমন্বয়: আইন ও সময়সীমার ভেতর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
- সংগঠনিক ভারসাম্য: দলের অভ্যন্তরীণ ও জাতীয় রাজনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা।
┌─────────────────────────────────────────────────────────┐
│ বিএনপির নীতি-নির্ধারণী কাঠামো │
└────────────────────────────┬────────────────────────────┘
│
▼
┌─────────────────────────────────────────────────────────┐
│ জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক (১ আগস্ট) │
└────────────────────────────┬────────────────────────────┘
│
┌───────────────┴───────────────┐
▼ ▼
┌──────────────────────────┐ ┌──────────────────────────┐
│ রাষ্ট্রপতি পদে নাম প্রস্তাব │ │ তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্ত │
└─────────────┬────────────┘ └─────────────┬────────────┘
│ │
└───────────────┬───────────────┘
▼
┌──────────────────────────────────────────────────────────┐
│ নির্বাচন কমিশন ও স্পিকারের কাছে চূড়ান্ত মনোনয়ন │
└──────────────────────────────────────────────────────────┘
২. সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও আইনি বাধ্যবাধকতার হিসাব-নিকাশ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সংবিধানের এই সুনির্দিষ্ট বিধানের আলোকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে তাদের প্রাথমিক দাফতরিক কাজ শুরু করেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধান নির্ধারিত কিছু সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসৃত হয়:
- স্পিকারের সাথে সমন্বয়: নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পূর্বে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় সভা পরিচালনা করে।
- তফসিল ঘোষণা: সিইসি কর্তৃক জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণের তারিখ, মনোনয়নপত্র জমা ও প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
- সংসদে ভোটগ্রহণ: যদি একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন, তবে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তবে একক প্রার্থী হলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
ইতিমধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকার কায়সার কামালের সাথে সাক্ষাত করে প্রাসঙ্গিক নিয়মকানুন ও ভোটার তালিকা (সংসদ সদস্যদের তালিকা) পর্যালোচনা করেছেন। ফলে আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া যে বেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত।
৩. কেন বঙ্গভবনের সিদ্ধান্ত এতটা স্পর্শকাতর?
বিগত কয়েক দশকের রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা সংকটকালীন মুহূর্তে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রকের রূপ নেয়। যদিও সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসনক্ষমতার মূল চাবিকাঠি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত থাকে, তথাপি কিছু মৌলিক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
| ক্রমিকে | রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও দায়িত্ব | রাজনৈতিক গুরুত্ব |
| ১ | প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শপথ পরিচালনা | রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা রক্ষা |
| ২ | প্রধান বিচারপতি ও বিচারক নিয়োগ | বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা |
| ৩ | সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কত্ব | জাতীয় নিরাপত্তা ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলা |
| ৪ | জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিতকরণ | আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার অভিভাবকত্ব |
| ৫ | ক্ষমা ও দণ্ড মার্জনার বিশেষ অধিকার | সাংবিধানিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ |
বিএনপির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, এমন একজন ব্যক্তিত্বকে বঙ্গভবনে পাঠানো প্রয়োজন যিনি একাধারে আইন ও সংবিধান বিষয়ে প্রজ্ঞাবান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং রাজনৈতিক অস্থিরতায় দৃঢ়তার পরিচয় দিতে সক্ষম।
৪. সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ও রাজনৈতিক গুঞ্জন
রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকটি নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। যদিও বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে কারও নাম এখনো প্রকাশ করেনি, তবুও দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও বিশ্লেষকদের তথ্য মতে কয়েক ধরনের চিন্তা চলমান রয়েছে:
(ক) সিনিয়র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
দলের দীর্ঘদিনের অনুগত, অভিজ্ঞ ও বয়োজেষ্ঠ নেতাদের মধ্য থেকে কাউকে বঙ্গভবনে পাঠানোর চিন্তা একটি জোরালো ধারা। এতে করে দলের ভেতর ত্যাগী নেতাদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রবীণ রাজনীতিবিদের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটবে।
(খ) অরাজনৈতিক ও সর্বজনগ্রাহ্য বুদ্ধিজীবী
রাষ্ট্রপতি পদটিকে সর্বজনীন ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে কোনো প্রখ্যাত আইনবিদ, প্রাক্তন বিচারপতি, শিক্ষাবিদ বা সুশীল সমাজের বিশিষ্ট নাগরিককেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। এটি সরকার ও দলের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করতে সহায়ক হবে।
৫. প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান তারেক রহমানের ভূমিকা
দলীয় একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার ভাষ্যমতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি থাকবে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান তারেক রহমানের এখতিয়ারে।
দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সদস্যরা নিজ নিজ মতামত ও পর্যবেক্ষণ পেশ করলেও, সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকেই একক কর্তৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তারেক রহমান বর্তমানে যে দ্বৈত দায়িত্ব পালন করছেন—একদিকে দলের নেতৃত্ব
এবং অন্যদিকে
সরকার প্রধান হিসেবে দেশের শাসনভার পরিচালনা—তাতে রাষ্ট্রপতির মতো স্পর্শকাতর পদে সঠিক ব্যক্তিত্বকে নির্বাচিত করা তাঁর দূরদর্শিতার বড় পরীক্ষা।
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মূল চালিকাশক্তি │
├────────────────────────────────┬────────────────────────────────┤
│ সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা │ ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা│
├────────────────────────────────┼────────────────────────────────┤
│ রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা │ বিতর্কহীন ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব │
├────────────────────────────────┼────────────────────────────────┤
│ প্রশাসনিক দক্ষতা │ রাষ্ট্রীয় সংকটে সঠিক সিদ্ধান্ত │
└────────────────────────────────┴────────────────────────────────┘
৬. আগস্টেই কেন প্রক্রিয়া সম্পন্নের তাগিদ?
চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাওয়ার পেছনে বেশ কিছু যৌক্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কারণ দেখছেন নীতিনির্ধারকরা:
- ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কমানো: স্পিকার সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, দ্রুততম সময়ে পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত রাষ্ট্রপতির স্থলাভিষিক্ত হওয়া রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক।
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা: বঙ্গভবনে একজন স্থায়ী অভিভাবক থাকলে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা দূর হয় এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা যায়।
- আসন্ন সংসদীয় অধিবেশন: সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ভাষণ প্রদান এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদনের যে আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে, তা নতুন রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সম্পন্ন করা সুবিধাজনক।
৭. আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়—যেমন জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন,
যুক্তরাষ্ট্র ও প্রতিবেশি দেশসমূহ—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক ধারার ওপর নজর রাখছে।
একটি গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তা আন্তর্জাতিক দরবারে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি সরকারের জন্য এই মুহূর্তটি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
সঠিক প্রার্থী মনোনয়ন কেবল দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্যকেই সুদৃঢ় করবে না, বরং সামগ্রিক রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিকেও শক্তি যোগাবে।
৮. কোন দিকে গড়াচ্ছে সিদ্ধান্ত?
আজ শনিবার সন্ধ্যার স্থায়ী কমিটির বৈঠক কেবল একটি সাধারণ দলীয় পর্যালোচনা সভানয়, বরং এটি বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানের নাম নির্ধারণের এক
ঐতিহাসিক মঞ্চ। তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইসভায় দলের শীর্ষ নেতারা সকল দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করবেন।
সমগ্র দেশ এখন গুলশানের দিকে তাকিয়ে—কে হচ্ছেন বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা? এক অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নাকি কোনো নিরপেক্ষ সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্ব? উত্তরটি হয়তো আজকের বৈঠকের পরপরই বা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
