পাহাড়ে অশান্তি আর সেন্টমার্টিনে পর্যটন বন্ধ—সবই কি ইউনুসের নীলনকশার অংশ? পড়ুন বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
খাগড়াছড়ি, এপ্রিল ২০২৫:
পাহাড়ে অশান্তির নতুন ঢেউ এবং সেন্টমার্টিনে পর্যটন বন্ধের পরিকল্পনা—এই দুই বিষয়ের পেছনে এখন একটাই নাম ঘুরে ফিরে আসছে, ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
পাহাড়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা ও গোলাগুলির ভয়াবহতা
সম্প্রতি বিজু উৎসব শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী খাগড়াছড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তিন দিন পার হলেও তাদের খোঁজ মেলেনি। স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ে অশান্তি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেইস ক্যাম্পগুলো সরিয়ে নিচ্ছে, আর সেই সুযোগে পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আরও সক্রিয় হচ্ছে। পাহাড়ে অশান্তির এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণ না করতে সর্তকতা জারি করেছে।
সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিষেধাজ্ঞা: একটি সাজানো নীলনকশা?
ইউনুস গং ধীরে ধীরে সেন্টমার্টিনকে পর্যটকদের জন্য “নো গো জোন” করে তুলছেন। আন্তর্জাতিক অজুহাতে দ্বীপটিকে আইসোলেট করে পরবর্তীতে বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছেন।
একদিন হয়তো দেখা যাবে সেন্টমার্টিনে বিদেশি নৌ ঘাঁটি নির্মাণ চলছে—তা আর বেশি দূরের দৃশ্য নয়।
পাহাড়ে সহিংসতার আড়ালে গভীর পরিকল্পনা
তিন পার্বত্য জেলায় আজ সশস্ত্র সংঘাত, গুম, খুন, নিখোঁজের ঘটনা বাড়ছে। এইসবের পেছনে রয়েছে একটি সুশৃঙ্খল নীলনকশা। ইউনুস গং আন্তর্জাতিক মহলের প্রেসক্রিপশনে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য—বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভেঙে দেওয়া। পাহাড়ে পর্যটন বন্ধ, সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কমিয়ে দিয়ে ত্রিমুখী সীমান্তের একাংশকে বিদেশি প্রভাবাধীন অঞ্চলে রূপান্তর করা—এসবই একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।
পাহাড়ে অশান্তি করে পাঁচ বছরের শাসন ম্যান্ডেট ও স্বাধীনতার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা?
ড. ইউনুস এখন ৫ বছরের শাসনকালের প্রচার চালাচ্ছেন, যেখানে সংস্কারের নামে সার্বভৌমত্ব বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করবেন।এই সময়ের মধ্যেই পাহাড় ও সেন্টমার্টিন বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশকে এক আফগানিস্তান মডেলে পরিণত করার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
উপসংহার: সময় থাকতে সতর্ক না হলে…
আজকের পাহাড়ের গুলির শব্দ আর দ্বীপের নির্জনতা—সব কিছুই একটি বৃহৎ খেলায় অংশ। এখন প্রশ্ন হলো—আমরা কি চোখ খুলে দেখবো, নাকি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হবো?
