বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাসে অনেক বিতর্কিত চরিত্রের নাম উঠে এসেছে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত নাম হচ্ছে ড. মুহাম্মদ ইউনুস। একসময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নোবেল বিজয়ী হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এখন দেশীয় রাজনীতিতে দেশদ্রোহের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে।
বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত হলেও ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি বাংলাদেশের কৌশলগত এলাকা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফকে বিদেশি স্বার্থে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়ে এক ভয়াবহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন। এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে তা শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। এমন অভিযোগ যে কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের বিবেক নাড়া দেওয়ার মতো।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে ইউনুসের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। সে সময় থেকেই তাকে “অদৃশ্য মদদপুষ্ট” শক্তির সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যার পৃষ্ঠপোষকতায় সমাজে বিভ্রান্তিমূলক বার্তা ও উগ্র নেটওয়ার্ক বিস্তার লাভ করে। ইউনুস ও তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা ব্যবসায়ী-রাজনৈতিক সহযোগীদের ভূমিকা নিয়ে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিয়ে যারা আপস করে, তারা ব্যক্তিগত সাফল্যের মুখোশ পরে জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিচ্ছে। এমন অবস্থায় ইউনুসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ক্রমেই সামাজিক আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে।
🔴 সামাজিক প্রতিরোধের ডাক:
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউনুসবিরোধী প্রচারণা দিন দিন তীব্র হচ্ছে। “সেন্টমার্টিন আমাদের, টেকনাফ আমাদের—রক্ত দিয়ে রক্ষা করবো” এই স্লোগান এখন অনলাইন ও অফলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশিষ্ট নাগরিক ও তরুণ সমাজের একটি অংশ সরবভাবে দাবি তুলছে—ইউনুস ও তার সহযোগীদের বিচার করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক ও সাংগঠনিকভাবে তাদের বয়কট করার আহ্বানও উঠেছে।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া যায় না—এই বার্তাই এখন জনগণের কণ্ঠে।
