দেশের শেয়ারবাজারে দেখা দিয়েছে এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ দর পতন। ২০২৫ সালের ৭ মে, বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩৯৩ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৮১টিরই দাম কমে গেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪৯ পয়েন্ট বা ৩.০২% হারিয়ে ৪৮০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২০ সালের আগস্টের পর সর্বনিম্ন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধাবস্থা এই দর পতনের অন্যতম কারণ হতে পারে। একই দিনে পাকিস্তানের শেয়ারবাজারেও বড় দরপতন দেখা গেছে। যদিও ভারতের সূচক দিন শেষে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়, বিশ্বের অন্য কোনো বাজারে বড় নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি।
প্রথম ১৫ মিনিটেই সূচক হারায় ৯৪ পয়েন্ট। আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে শেয়ার বিক্রি করতে থাকেন। ইসলামী ব্যাংক, ওয়ালটন, বিএটি বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা এবং গ্রামীণফোনের মতো বড় কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সূচকে বড় প্রভাব ফেলে।
প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার বাইরে অন্য কোনো নেতিবাচক খবর ছিল না। আইসিবির চেয়ারম্যান আবু আহমেদ মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের হতাশা এই দরপতনের পেছনে মূল চালিকা শক্তি।
দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সক্রিয় হয়েছেন। আগামী রোববার ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে, যার আহ্বান করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)।
